অংশীজনদের নিয়ে নিরাপদ ইন্টারনেট প্রশাসন গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধ পরিকর বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। রোববার (১৩ অক্টোবর) ঢাকায় টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের মিলনায়তনে ডিজিএফআই, র্যাব, এনটিএমসি, বিটিআরসি, মোবাইল অপারেটর্স, আইআইজিডব্লিউসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের সাথে নিরাপদ ইন্টারনেট বিষয়ক এক পরামর্শক সভায় সভাপতির ভাষণে মন্ত্রী সরকারের এই দৃষ্টিভঙ্গির কথা তুলে ধরেন।
ডিজিটাল প্রযুক্তি দুনিয়ায় নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মোস্তাফা জব্বার বলেন, গত ৩২ বছর এ জগতে বিচরণ করতে গিয়ে শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাইকে ইন্টারনেট ব্যবহারে উদ্ধুদ্ধ করেছি কারণ ইন্টারনেট হচ্ছে জ্ঞান ভান্ডার। নিরাপদ ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে সাইবার থ্রেট ডিটেকশন, মনিটরিং এন্ড প্রিভেনশন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে গত এক বছরে ২২ হাজার পর্নো সাইট ও দুই হাজার জুয়ার সাইট বন্ধ করেছি।

আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞসহ অংশিজনদের সুচিন্তিত মতামত ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।
এসময় ক্ষতিকর সাইটগুলো নিয়ন্ত্রনের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোর ক্ষতিকর কন্টেন্টগুলোর বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জনের প্রয়োজনীয়তার ওপর মন্ত্রী গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি বলেন, একক কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার পক্ষে এটি সমাধান করা সম্ভব নয়। সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া ডিজিটাল দুনিয়াকে নিরাপদ করা সম্ভব নয়। ইন্টারনেট সম্প্রসারণের পাশাপাশি সকলকে সাথে নিয়েই আমরা নিরাপদ ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে কাজ শুরু করেছি। আমরা চাই আমাদের কন্যা, বধু , মাতা সবাই ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকুক।
সাইবার থ্রেট ডিটেকশন, মনিটরিং এন্ড প্রিভেনশন বিষয়ক প্রকল্পের পরিচালক রফিকুল মতিন এর সঞ্চালনায় অংশীজনের এই মত বিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব অশোক কুমার বিশ্বস।